বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্ন স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন রয়েছে: স্পিকার

বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অভিন্ন স্বাধীনতা এবং সংস্কৃতির গভীর মেলবন্ধন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। কসোভোর জনগণ দেশের স্বাধীনতার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের সংস্কৃতির মধ্যেও নিবিড় সম্পৃক্ততা বিদ্যমান।

আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে স্পিকার এসব কথা বলেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত ১৭ বছরে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। গুম, খুন ও ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে, যার বর্বরোচিত চিত্র জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টে ফুটে উঠেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারের অবসান ঘটে এবং পুনরায় গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সূচিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে অন্যতম অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন।

কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা বাংলাদেশে নতুন গণতান্ত্রিক অধ্যায়ের সূচনাকে স্বাগত জানান এবং বর্তমান সংসদের তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলার ওপর জোর দেন। একইসঙ্গে কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং স্পিকারকে কসোভো সফরের আমন্ত্রন জানান।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় ককাস গ্রুপ গঠন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রসার, যৌথ একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে কসোভো দূতাবাস ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

Back to top button