আধুনিক পদ্ধতির সবজি চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা


সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি এখন আধুনিক ও প্রযুক্তিভিত্তিক উপায়ে সবজি চাষে মনোযোগ দিচ্ছেন কৃষকেরা। লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকেরা এখন জমিতে মালচিং পেপার, জৈব সার, মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করে পরিমিত রাসায়নিক সারের ব্যবহার করছেন।
এমনকি লতাজাতীয় সবজি চাষে মাচা তৈরিতে নেট ও কটন সুতার মতো আধুনিক উপকরণের ব্যবহারও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিশেষ করে প্রখর রোদ ও অতিবৃষ্টির মতো প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে ফসল রক্ষায় এই পদ্ধতি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে জমিতে সেচ প্রদান, সার প্রয়োগ ও কীটনাশক স্প্রে করা সহজ হয়।
অতিরিক্ত সার ব্যবহার না হওয়ায় এবং শ্রমিকের খরচ কমায় উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পায়, ফলে লোকসানের ঝুঁকি কমে কৃষকের লাভের মুখ দেখার সম্ভাবনা বাড়ে।
আদিতমারী উপজেলার স্থানীয় কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তারা জানান, প্রথাগত চাষাবাদের চেয়ে মালচিং পদ্ধতি অনেক সহজ ও ব্যয়সংকোচনকারী। এতে রোদ-বৃষ্টিতে ফসল সহজে নষ্ট হয় না। তারা বাজারে মানসম্মত বীজ ও কীটনাশকের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাইখুল আরেফিন জানান, কৃষিতে মালচিং পদ্ধতির ব্যবহার একটি ইতিবাচক পরিবর্তন।
এ পদ্ধতিতে ফসলে রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম হয়, সারের কার্যকারিতা বজায় থাকে এবং কৃষকেরা কাঙ্ক্ষিত ও উন্নত ফলন পান।




