বিকেলের আড্ডায় মুখরোচক ‘চিংড়ি সমুচা’,

সমুচা খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই আছেন। অতিথি আপ্যায়নে, বন্ধুদের জমজমাট আড্ডায় কিংবা বিকেলের চায়ের সঙ্গে গরম গরম সমুচা হলে আড্ডাটা জমে বেশ। ’
সাধারণত আলু বা মাংসের পুর দিয়ে সমুচা খাওয়া হলেও, চিংড়ির পুর দিয়ে তৈরি করা যায় অসম্ভব সুস্বাদু ও ভিন্নধর্মী সমুচা। এটি তৈরি করা যেমন সহজ, সময়ও লাগে বেশ কম। চলুন জেনে নেওয়া যাক চিংড়ি সমুচা তৈরির সহজ রেসিপি—
প্রয়োজনীয় উপকরণ
সমুচার ডো বা খামির তৈরিতে:
-
ময়দা— ১ কাপ
-
লবণ— ১ চিমটি
-
সয়াবিন তেল— পরিমাণমতো
-
পানি— পরিমাণমতো
ভেতরের পুর তৈরিতে:
-
চিংড়ি— ১০/১২টি
-
পেঁয়াজ কুচি— ১/২ কাপ
-
আদা-রসুন বাটা— ১/২ চা চামচ
-
কাঁচা মরিচ কুচি— ৪-৫টি
-
লবণ— স্বাদমতো
-
গোলমরিচ গুঁড়া— ১/২ চা চামচ
প্রস্তুত প্রণালী
ধাপ ১ (পুর তৈরি): প্রথমে চিংড়ির মাথা ও লেজ ফেলে ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে কুচি করে কেটে নিন। এবার একটি কড়াইতে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে হালকা ভেজে নিন। পেঁয়াজ ভাজা হলে আদা ও রসুন বাটা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়ুন। এরপর কড়াইতে কুচি করা চিংড়ি, স্বাদমতো লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। কষানো হলে আধা কাপ পানি দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট রান্না করুন। পানি শুকিয়ে পুর মাখা মাখা হলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন।
ধাপ ২ (সমুচা তৈরি): একটি পাত্রে ময়দার সঙ্গে এক চিমটি লবণ, সামান্য তেল ও পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে ভালোভাবে ময়ান দিয়ে একটি ডো (খামির) তৈরি করে নিন। মাখানো ময়দা থেকে ছোট ছোট অংশ নিয়ে পাতলা করে রুটি বেলে নিন। এবার রুটিগুলোকে মাঝখান থেকে সমান দুই ভাগে কেটে নিন। অর্ধেক করা রুটির অংশটিকে ভাঁজ করে কোণ বা সমুচার আকৃতি দিন।
ধাপ ৩ (ভাজা ও পরিবেশন): তৈরি করা কোণের ভেতরে চামচ দিয়ে চিংড়ির পুর পুরে দিন। এরপর সামান্য পানি বা ময়দার গোলা দিয়ে সমুচার মুখটি ভালোভাবে আটকে বন্ধ করে দিন। এভাবে সবগুলো সমুচা তৈরি হয়ে গেলে কড়াইতে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। ডুবো তেলে সমুচাগুলো মাঝারি আঁচে উল্টেপাল্টে সোনালি ও মুচমুচে করে ভেজে তুলুন।
ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল গরম গরম মুচমুচে চিংড়ি সমুচা! এবার আপনার পছন্দসই সস কিংবা পুদিনা পাতার চাটনির সঙ্গে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।



