১৬ হাজার নেশাজাতীয় ট্যাবলেটসহ ২ ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধি আটক

রংপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে ১৬ হাজার পিস অবৈধ নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি নামী কুরিয়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে থেকে দুই ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিকে আটক করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রংপুর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে—একটি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট রংপুরে আনা হয়েছে। তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর আরকে রোড এলাকার আইডিয়াল মোড়ে ‘স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিস’ কার্যালয়ের ওপর নজরদারি শুরু করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি চৌকস দল।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই কুরিয়ার সার্ভিসের একটি পার্সেল তল্লাশি করে ১৬ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকেই দুই ওষুধ প্রতিনিধিকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন:
-
আব্দুর রাজ্জাক: শরীফ ফার্মাসিউটিক্যালসের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার।
-
সাগর: পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রতিনিধি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রংপুরের উপপরিচালক মো. আবু জাফর অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন:
“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। ওষুধের আড়ালে অভিনব কৌশলে পরিচালিত এ ধরনের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।”



