ট্রেনের টিকিটে বাড়তি ভাড়া ও বন্দরে ক্রয় দুর্নীতি: দুদকের পৃথক অভিযান


জামালপুরের নান্দিনা রেলওয়ে স্টেশনে কমিউটার ট্রেনের টিকিট বিক্রিতে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দুটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাগবোট কেনায় অনিয়মের অভিযোগে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের পৃথক দল এই অভিযানগুলো পরিচালনা করে বলে সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। দুদক জানায়, উভয় স্থান থেকেই প্রাপ্ত নথিপত্র ও তথ্য পর্যালোচনা করে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
জামালপুরের নান্দিনা রেলওয়ে স্টেশনে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি দল যাত্রীবেশে প্রবেশ করে টিকিট বিক্রিসহ সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কমিউটার ট্রেনের প্রতিটি টিকিটের বিপরীতে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে এবং সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি করা হচ্ছে। এ ঘটনায় উপস্থিত যাত্রী ও সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে টিকিট বিক্রির সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছে দুদকের প্রতিনিধি দলটি।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দুটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন (প্রতিটি ৫ হাজার ব্রেক হর্সপাওয়ার এবং ৭০ টন বোলার্ড পুল) টাগবোট কেনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে পৃথক অভিযান চালায় চট্টগ্রামের দুদক কার্যালয়।
অভিযানের সময় দুদকের দল সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের বক্তব্য গ্রহণ করে এবং ক্রয সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংগ্রহ করে। দুদক জানিয়েছে, এনফোর্সমেন্ট অভিযানে সংগৃহীত তথ্য ও দলিলপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।




