তুরাগের আওয়ামী লীগ নেতা রমিজ উদ্দিন গ্রেপ্তার, ছাত্র হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলায় আসামি

বিশেষ প্রতিনিধি  ঢাকা : ‎রাজধানীর তুরাগে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত রমিজ উদ্দিনকে গত ৬ অক্টোবর একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে তুরাগ থানা পুলিশ। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের সময় উত্তরা এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলাসহ একাধিক মামলায় তাঁর নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।
‎
‎স্থানীয় সূত্রের দাবি, রমিজ উদ্দিন ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিব হাসানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। রমিজ উদ্দিন তুরাগ থানার ৫২ নং ওয়ার্ডের ৭ নং ইউনিটের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্যের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
‎
‎অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের সময় উত্তরা এলাকায় সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় রমিজ উদ্দিনের সম্পৃক্ততা ছিল। এ ছাড়া উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা দুটি মামলাতেও তিনি আসামি বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে মামলাগুলোর সুনির্দিষ্ট বিবরণ ও সেগুলোতে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রকৃতি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
‎
‎স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও দলটির কিছু নেতাকর্মী এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন। তাঁদের দাবি, উত্তরার বিভিন্ন সড়কে ঝটিকা মিছিলসহ নানা কর্মকাণ্ড জনমনে উদ্বেগ তৈরি করছে। এসব কর্মকাণ্ডে রমিজ উদ্দিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। তবে এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন।
‎
‎রমিজ উদ্দিনের গ্রেপ্তারের পর স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, মামলাগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।
‎
‎এ বিষয়ে তুরাগ থানার অফিসার ইনর্চাজ মোস্তাফিজ রহমান বলছেন আওয়ামীলীগ নেতা রমিজ উদ্দিনকে গোপন সূত্রে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পরবর্তীতে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
‎
‎
‎

Related Articles

Back to top button