মক্কা চুক্তির আওতায় প্রথম বৈঠকে বসছে তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তান


তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মন্ত্রী ও সেনাপ্রধান পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) তুরস্কের ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানরা এই যৌথ বৈঠকে অংশ নেবেন।
গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক «মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির» ধারাবাহিকতায় এ কমিটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সংঘাত ও মার্কিন-ইরান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গঠিত এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা। ন্যাটোর ৫ম অনুচ্ছেদের আদলে এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে বাকি সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হবে।
ইস্তাম্বুলের এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, তিন দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ সমন্বয় এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তি ও উৎপাদনভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্ক জানিয়েছে, পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান ও তেল সমৃদ্ধ সৌদি আরবের পাশাপাশি এই জোটে মিসরকেও অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। আঙ্কারার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই জোট বিদ্যমান কোনো সামরিক সংস্থাকে প্রতিস্থাপন না করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে।




