হযরত মহানবী (সা.) দেহের যে অংশে আঘাত করতে নিষেধ করেছেন

ডেস্ক নিউজ :চেহারা মানবদেহের প্রধান একটি অঙ্গ। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আমি মানুষকে সুন্দরতম অবয়বে সৃষ্টি করেছি।’ (সুরা : ত্বিন, আয়াত : ৪)

সুন্দর চেহারার প্রশংসায় সবাই খুশি হয়। আবার নিন্দা করলে অনেক কষ্ট পায়।
মানুষের চেহারা নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার অধিকার কারো নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা বোলো না! আল্লাহ তার চেহারা কুৎসিত বানিয়েছেন।’
(আল আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৮৫)আল্লাহ মানুষের চেহারা আকর্ষণীয় ও সম্মানিত করেছেন। শরিয়ত চেহারায় আঘাত করা নিষিদ্ধ করেছে।

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের মধ্যকার কেউ তার খাদেমকে প্রহার করে, তখন মুখমণ্ডল বাদ দিয়ে প্রহার করবে।’
(আল আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ১৭৪)শিশুদের শাসন করার সময়ও চেহারায় আঘাত করা নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ অন্য কাউকে শাস্তি প্রদান করে, তখন সে যেন তার চেহারায় আঘাত না করে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৪৯৩)ইসলাম সাধারণ অবস্থার মতো যুদ্ধক্ষেত্রেও চেহারায় আঘাত করতে নিষেধ করেছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ যখন যুদ্ধ করবে, তখন সে যেন মুখমণ্ডলে আঘাত করা থেকে বিরত থাকে।’
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৫৫৯)এমনকি কোনো পশুকে মুখে দাগ দেওয়া বা আঘাত করাও ইসলামে নিষিদ্ধ। জাবির (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) এমন একটি পশুর পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন, যার থুতনিতে ধোঁয়ার দ্বারা দাগ দেওয়ার চিহ্ন সুস্পষ্ট ছিল। তখন নবী করিম (সা.) বলেন, যে এমনটি করেছে তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। কেউ যেন কখনো কোনো কিছুর চেহারার ওপর দাগ না দেয় এবং কখনো চেহারার ওপর প্রহারও না করে।
(আল আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ১৭৫)

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button