স্ত্রী-শাশুড়িকে হত্যার পর সন্তানকে নিয়ে থানায় স্বামী


রাজধানীর কলাবাগানে পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাত্রি এবং শাশুড়ি ফিরোজা বেগমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন স্বামী হৃদয় ওরফে শিপন। রোববারে সকালে কলাবাগানের চিকেন গলি এলাকার একটি বাসায় এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের পরপরই ১ বছর ২ মাস বয়সী শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে নিজেই কলাবাগান থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন ঘাতক শিপন।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে একটি বিয়েবাড়িতে গত শুক্রবারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। সেখান থেকে অভিমান করে শিপন একা ঢাকায় ফেরেন। শনিবারে স্ত্রী ও শাশুড়ি ঢাকায় ফিরলে রোববার সকালে আবার তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
তর্কের একপর্যায়ে শিপন স্ত্রী রাত্রিকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। শাশুড়ি ফিরোজা বেগম মেয়েকে বাঁচাতে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। ঘটনাস্থলেই স্ত্রীর মৃত্যু হয় এবং শাশুড়িকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরপর শিপন তার শিশু সন্তানকে নিয়ে থানায় গিয়ে দায় স্বীকার করেন।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, শিপন ও রাত্রির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই কলহ চলছিল এবং পূর্বে একবার বিচ্ছেদও হয়েছিল। এ ঘটনায় রাত্রির বাবা ফারুক হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর পুলিশ শিপনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে।




