জনপ্রিয়তার মোহে কখনও তারকা দৌড়ে অংশ নেননি

বিনোদন ডেস্ক :জনপ্রিয়তার মোহে কখনও তারকা দৌড়ে অংশ নেননি। তাঁর কাজের সংখ্যা সমসাময়িকদের চেয়ে কম নাকি বেশি, সেই প্রশ্নও কখনও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠেনি। বরং যে গল্প ও অভিনীত চরিত্র দর্শকের সামনে তুলে ধরছেন, সেটি তাদের মনে ছাপ ফেলবে কিনা–সেই প্রশ্নই নিজেকে বারবার করে থাকেন। তাই নির্দেশকের কথা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেছেন সবসময়।
ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর পর, নিজেকে ভুলে মিশে গেছেন চরিত্রের সঙ্গে। এভাবেই বারবার নিজেকে ভেঙে ভিন্নরূপে পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করে গেছেন। জানা ছিল, তুমুল জনপ্রিয় আয়োজনের অংশ না হতে পারলে পথচলা সহজ হবে না; হোঁচট খেতে হবে যখন-তখন। তবুও মনোবল ভাঙেনি। বিশ্বাস রেখেছেন নিজের ওপর। কিন্তু যে ধরনের সিনেমা দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা মুক্তি পেতেও বিলম্ব হয়েছে। বছরের পর বছর অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। তবু ভেঙে পড়েননি। অভিনয় জগতের সেই অপরাজিতার নাম দোয়েল।
শুরুতে যার পরিচয় উঠে এসেছিল দোয়েল ম্যাশ নামে। নিজের নামের সঙ্গে ছেলে মাশরিকের নামের সংক্ষিপ্ত অংশ জুড়েই এই ‘দোয়েল ম্যাশ’ নামকরণ। কিন্তু অভিনেত্রী হিসেবে যখন দর্শক মনোযোগ কাড়লেন, এলেন আলোচনায়, তখনও প্রকৃত নাম দিলরুবা দোয়েলেই ফিরে যেতে হয়েছে। তবে নাম ওলট-পালট হলেও অভিনয়ের চিন্তাধারা খুব একটা বদলে যায়নি ছোট ও বড় পর্দার এ অভিনেত্রীর। পেছনের সময়টা ফিরে দেখলে তারই প্রমাণ মেলে।
২০১৬ সালে ‘কবি স্বামীর মৃত্যুর পর আমার জবানবন্দি’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছিলেন দোয়েল। এরপর দর্শক মনোযোগ কেড়েছিলেন ‘কাবিল কোহকাফি’ নামের শিশুতোষ ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করে। তবে অভিনেত্রী হিসেবে তিনি কতটা সম্ভাবনাময়ী, তা জানান দিয়েছিলেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত ‘আলফা’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। একইভাবে এন রাশেদ চৌধুরীর ‘চন্দ্রাবতী কথা’, নুরুল আলম আতিকের ‘লাল মোরগের ঝুটি’, বন্ধন বিশ্বাসের ‘লাল শাড়ি’, আহমেদ হুমায়ুনের ‘পটু’ এবং শবনম ফেরদৌসীর ‘আজব কারখানা’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।



