আবেগপ্রবণ মানুষ হিসেবে তিনি ভেতরে ভেতরে পুড়ে ছাই

খেলাধূলা ডেস্ক :আবেগপ্রবণ মানুষ হিসেবে তিনি ভেতরে ভেতরে পুড়ে ছাই হয়েছেন নিশ্চিতভাবেই। তবে ক্রীড়া সাময়িকী স্পোর্টস্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তামিম ইকবাল যা জানিয়েছেন, তাতে এটি স্পষ্ট যে প্রতিহিংসার আগুনও বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ককে কম পোড়ায়নি। ভারত-বাংলাদেশ সিরিজের ধারাভাষ্য দিতে ভারতে যাওয়া এই ওপেনার বলেছেন, ‘লোকের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক খারাপ যেতে পারে কিংবা হতে পারে মতের অমিলও, কিন্তু জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে সবারই একত্র থাকা উচিত। সেখানে প্রতিহিংসার কোনো জায়গা থাকার কথা নয়।দুর্ভাগ্যক্রমে আমার ক্ষেত্রে বিষয়টি সে রকম ছিল না।’

যা যা হয়েছিল তামিমের সঙ্গে, এর পুরোটা তিনি খোলাসা করেননি। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে তাঁর হুট করে অবসরে যাওয়া এবং ফিরে এসে ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়ার ঘটনাপ্রবাহে একটি সফল ‘দলীয় প্রচেষ্টা’ যে ছিল, সেটিও প্রকাশ করেছেন কোনো রাখঢাক না করেই। হাসতে হাসতেই বলেছেন, ‘অনেক কিছুই ঘটেছে, যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন একাধিক ব্যক্তি।

এঁদের প্রত্যেকেই অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে যাঁর যাঁর ভূমিকা রেখেছেন। যদিও আমি কারো নাম বলব না। আজ পর্যন্ত আমি কাউকে এটি নিয়ে দোষারোপ করিনি এবং কখনো করবও না। আমার সঙ্গে তাঁরা কী করেছেন, সেটি নিজেরা যেমন জানেন, তেমনি আমিও জানি।

 

বিষয়টি এভাবে থাকুক। আমি কর্মফলে বিশ্বাসী এবং কারো খারাপ চাই না। কারণ (খারাপ চাইলে) একদিন তা আমার দিকেই ফিরে আসতে পারে।’
সাকিব আল হাসানের সঙ্গে তাঁর ক্রমেই অবনতির দিকে যাওয়া সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন হয়েছে। তামিম অবশ্য গভীরে ঢোকেননি।তবে তাঁদের সুসম্পর্ক বজায় থাকলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আরো অনেক এগিয়ে যেত কি না, সে প্রশ্নে সায় দিয়ে বলেছেন, ‘‘অবশ্যই। কোনো সন্দেহই নেই। আমাদের সুসম্পর্ক দীর্ঘায়িত হলে সেটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ হতো বলেই আমার বিশ্বাস। কারণ আমরা দুজনই দেশের হয়ে ভালো করেছি। দুজনের মানসিকতাও ইতিবাচক এবং আমরা দেশের ক্রিকেটের সেরাটাই চাই।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button