গুলশানে ওসির সহযোগিতায় কুদ্দুসের স্পা সেন্টারে অবৈধ্য দেহ ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানী গুলশানে কুদ্দুসের স্পা সেন্টারে দেদারসে চলছে অবৈধ্য দেহ ও মাদক ব্যবসা। কোনো ভাবেই যেন থামছে না কুদ্দুসের এই দেহ ও মাদক ব্যবসা। কুদ্দুসের রয়েছে গুলশানে একটি স্পা সেন্টার যেখানে চলে সুন্দরি রমনিদের দিয়ে দেহ ও মাদক ব্যবসা।

গুলশান- সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ বিউটি পার্লার ও ম্যাস্যাজ সেন্টার গুলোতে নামে বিউটি পার্লার হলেও এর আড়ালে চলে রমরমা দেহ ব্যবসা। আর এইসব বিউটি পার্লার ও ম্যাস্যাজ সেন্টার গুলোতে বেশিরভাগই কাজ করে নারীকর্মী। তারা পুরুষদের শরীর ম্যাসাজ, দেহ ও মদকসহ অনৈতিক কাজে জড়িত বলে যানা যায়। গুলশান- এলাকার ম্যাসাজ ও বিউটি পার্লারের মধ্যে কেবল এমন একটি প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে অনৈতিক কাজে হয় থাই নাগরিকসহ বিদেশিরাও জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে বহুদিনের ধরে।
কুদ্দুসের সম্পর্কে খুজ নিয়ে জানাযায়, তিনি দীর্ঘ দিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। সত্বেও তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সাথে তার উঠাবসা এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের মনরঞ্জণ করার জন্য তিনি তার প্রতিষ্ঠানের রমনিদের ব্যবহার করেন।
কুদ্দুসের স্পা সেন্টার সম্পর্কে খুজ নিয়ে আরো জানাযায়, বেশ কিছু দিন পূর্বে তাদের নামে গুলশান থানায় মানব পাচারের একটি মামলা হয়েছে। ২০১২ সালের মানব পাচার প্রতিরোধ আইনের ধারা ১১/১২/১৩/৭। কুদ্দুস গুলশান স্পা সেন্টার বড় দালাল হিসাবে পরিচিত ছিলেন বলে জানতে পারি এখন সে নিজে মালিক হন।
যেখানে কুদ্দুস স্পা সেন্টার নামে চলে অনৈতিক কাজ সেই প্রতিষ্ঠান গুলো হলো, গুলশান ২ এর ৪১ নম্বর রোডে এর একটি আবাসিক বাড়ি বানিয়ে নিয়েছে স্পা সেন্টার ।
ভবনগুলোর নিরাপত্তারক্ষীরা জানান, সকালে প্রতিষ্ঠান খোলা হলেই সুন্দরী মেয়েরা ভিতরে প্রবেশ করে। তারা সারাদিন এইসব প্রতিষ্ঠানে পুরুষ আসা-যাওয়া করে। ভিতরে তাদের কি কাজ হয় তা আমরা জানি না।
অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকতার রাজধানীর সুপ্রভাত কে জানান, আমরা এই প্রতিষ্ঠান চালাই পুলিশের সহযোগিতায়। আমরা পুলিশকে মাসিক টাকা দিয়ে এই ব্যবসা করি। আমাদের কেউ কিছু করতে পারবে না।
এই বিষয়ে কুদ্দুসের সাথে মোঠফোন যোগাযোগ করলে তিনি রাজধানীর সুপ্রভাত কে বলেন, আপনার অভিযোগ নিয়ে আপনি বসে থাকেন।
কুদ্দুস আরো বলেন আমরা প্রতিমাসে ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ার এর মাধ্যমে ওসিকে দুই লক্ষ টাকা করে দেই এবং সিটি কর্পোরেশন কেও মাসিক টাকা দেই এবং স্পা সেন্টার বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের এক কর্মকর্তা রাজধানীর সুপ্রভাত কে বলেন, তারা আমাদের কাছে থেকে বিউটি পার্লারের ট্রেড লাইন্সেস নিয়েছে। তারা বৈধ্য লাইসেন্স নিয়ে অপরাধ মূলক কাজ করে আসছে। আমরা এই বিষয়ে জানতাম না। এখন জেনেছি আমরা কিছুদিনের মধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করবো। সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা মোঃ হারুন বলেন আমরা অভিযানে যাওয়ার আগে পুলিশকে ইনফর্ম করলে পুলিশ স্পা সেন্টারের মালিকদের কে জানিয়ে দেন তখন আর অপরাধীদের ধরা সম্ভব হয় না বলে জানান।
এই বিষয়ে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি রাজধানীর সুপ্রভাত কে বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিওয়া হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button