নতুন কৌশলে হোটেল আগ্রাবাদে স্মৃতি ও মবিনের দেহ ও মাদক ব্যবস্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের হোটেল আগ্রাবাদে নতুন কৌশলে স্মৃতি ও মবিনের দেহ ও মাদক ব্যবস্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায়, রাজধানীর গুলশানের সবচেয়ে বড় মানব পাচারকারী ও দেহ ব্যবসায়ী হিসেবে স্মৃতি ও মবিনের নাম সবার জানা। তারা বর্তমানে গুলশান ও চট্টগ্রামে স্পা সেন্টারের আড়ালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পেইজ খুলে তাদের অবৈধ ব্যবসার কাস্টমার ও রমনিদের ঠিক করে বিভিন্ন হোটেল এবং স্পা সেন্টারে সাপ্লাই দিয়ে আসছে এবং তারা হাতিয়ে নিচ্চে কোটি কোটি টাকা। তাদের রয়েছে সংঘবদ্ধ একটি শক্তিশালি চক্র। এই চক্রের রয়েছে একাধিক ফেসবুক পেইজ। দেহ ব্যবসা বন্ধ হওয়ার কারণে বিভিন্ন স্টার ক্যাটাগরির হোটেলে এবং বাসা বাড়িতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও ইউনিভার্সিটির মেয়েদের সাপ্লাই দিয়ে যাচ্ছে এই স্মৃতি ও মবিন।

অনলাইন প্লাটফর্ম ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় বিজ্ঞাপন দিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলে বিভিন্ন হোটেল বাসা বাড়িতে ও গেস্ট হাউজসহ ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারাদেশের শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মেয়েদের দিয়ে দেহ ও মাদক ব্যবসা করে যাচ্চেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। তাদের মধ্যে রয়েছে গুলশান ১ এর ১৬ নম্বর রোড়ের ৮ নম্বর বাড়িটি ।
খবর নিয়ে আরো জানা যায়, তারা কোন কাস্টমারের সামনে আসেন না কিন্তু কাস্টমার আসলে তার লোকজন ঠিকানা অনুযায়ী কাস্টমারদের পৌছিয়ে দেয়।
তাদের সম্পর্কে আরো জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ চট্টগ্রাম স্পা নামক সেন্টারে দেহ ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে। তাদের গুলশান ও চট্টগ্রামের দেহ ও মাদক ব্যবসা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী বন্ধ করে দেয়। এখন তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে দেদারছে দেহ ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে স্মৃতি ও মমিন।
স্থানীয় এলাবাসীরা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যদি এইদিকে একটু নজর দেয় তাহলে আমাদের ছেলে মেয়েরা ভালো থাকতে পারবে।
এই বিষয়টি নিয়ে পুলিশেল উর্ধতন কর্মকর্তা সাথে মোটোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button