বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সময়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ভয়াবহতা

নিজস্ব প্রতিবেদক :চলতি বছরের শুরু থেকেই উল্লেখযোগ্য ছিল ডেঙ্গুর সংক্রমণ। এরপর মে মাস থেকে আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে থাকে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সেই সঙ্গে মৃত্যুও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। শুধুমাত্র চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ১৯ দিনেই মারা গেছে ৩৯ জন। রাজধানীর পাশাপাশি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে অন্যান্য জেলায়ও। হাসপাতালগুলোতে এখনই ডেঙ্গু রোগীর উপচে পড়া ভিড়। চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সময়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ভয়াবহতা তৈরির আশঙ্কার কথা কয়েক মাস আগ থেকে বলা হলেও নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর তেমন কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। বর্তমানে যে পরিস্থিতি ধারণ করেছে তা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অক্টোবরে পরিস্থিতি আরো খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, কুয়েত বাংলাদেশে মৈত্রী হাসপাতাল, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, হলি ফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালসহ রাজধানীর সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন হপসাতালে প্রতিদিনই জ্বর নিয়ে অসংখ্য রোগী আসছেন।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০৫ জন, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল ১০৪ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০১ জন, ডিএসসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে ১৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী কতরাচ্ছেন। এসব হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ সামলাতে সাধারণ ওয়ার্ডের বাইরেও আলাদা করে সিঁড়ির কাছে রোগীদের জন্য বেডের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। সব মিলিয়ে চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়ে অভিযোগ না থাকলেও সরকারি হাসপাতাল হওয়া সত্ত্বেও স্যালাইন, নেবুলাইজার সবকিছু বাইরে থেকে কিনে আনার অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগীদের।



