ইউটিউবের অনুপ্রেরণায় বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, একসঙ্গে জ্বলছে ৪ চুলা


ইউটিউবের ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে গরুর গোবর থেকে বায়োগ্যাস তৈরি করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার খাগৈর গ্রামের খামারি জাহাঙ্গীর আলম গোলদার। নিজের খামারের গোবর কাজে লাগিয়ে তৈরি এই গ্যাসে এখন কাটছে এলপিজি সিলিন্ডারের খরচ ও দুশ্চিন্তা।
২০২৩ সালে ৬টি গরু নিয়ে খামার শুরু করলেও ২০২৬ সালের মে মাসে পাবনা থেকে দক্ষ মিস্ত্রি এনে মাত্র ১০ দিনে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা খরচে বাড়ির পাশে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টটি নির্মাণ করেন তিনি।
একটি নির্দিষ্ট ট্যাংকে গোবর ও পানির তরল মিশ্রণ তৈরি করে ডাইজেস্টারে পাঠানো হয়, সেখান থেকে উৎপন্ন বায়োগ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে রান্নার চুলায় পৌঁছে যায়।
খামারের দৈনিক ১২০ কেজি গোবর থেকে প্রাপ্ত গ্যাসে প্রতিদিন টানা ৪ ঘণ্টারও বেশি সময় একসঙ্গে ৪টি চুলা জ্বালানো সম্ভব। এতে হাঁড়িপাতিলে কালি পড়ে না এবং এলপিজির বাড়তি খরচ থেকে পরিবারটি রক্ষা পেয়েছে।
জাহাঙ্গীরের এই সাফল্য দেখে এলাকার অন্য খামারি ও প্রতিবেশীরাও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনে উৎসাহিত হচ্ছেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর, শরীয়তপুরের সহকারী পরিচালক মো. রাসেল নোমান এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, গোবর ও বর্জ্যের এমন যথাযথ ব্যবস্থাপনা পরিবেশ দূষণ কমানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে বড় ভূমিকা রাখবে।




