গুলশানে পুলিশের মাসোহারা দিয়েই ব্যবসা করি রত্না এনায়েত

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর গুলশানে রত্না ও এনায়েতের নতুন কৌশেলের ফাঁদে পরে কলেজ-ইউনিভার্সিটির অসহায় নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েরা সর্বস্ব হরিয়ে সর্বশান্ত হচ্ছে। এই চক্রে রয়েছে রত্না এনায়েত ও মোস্তফা সহযোগী হিসেবে রয়েছে আরো কয়েকজন সদস্য। এই অসহায় মেয়েদের দিয়েই রত্না তার স্পা সেন্টারে সহযোগীতায় চালাচ্ছে অবৈধ্য দেহ ও মাদক ব্যবসা। কোনো ভাবেই থামছে না রত্না এনায়েতের এই দেহ ও মাদক ব্যবসা।
রত্না রয়েছে গুলশান ২ হোটেল এইজ এর উপরে হোটেলের আদলে করা স্পা সেন্টারে যেখানে চলে সুন্দরি রমনিদের দিয়ে দেহ ও মাদক ব্যবসা ও অবাদে চলে মাদক সেবন।
গুলশান সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ হোটেল, বিউটি পার্লার ও ম্যাস্যাজ সেন্টার গুলোতে নামে হোটেল-বিউটি পার্লার হলেও এর আড়ালে চলে রমরমা দেহ ব্যবসা। আর এইসব হোটেল, বিউটি পার্লার ও ম্যাস্যাজ সেন্টার গুলোতে বেশিরভাগই কাজ করে নারীকর্মী। তারা পুরুষদের শরীর ম্যাসাজ, দেহ ও মদসহ অনৈতিক কাজে জড়িত বলে যানা যায়। গুলশান দুই এর হোটেলের নাম উল্লেখ থাকলেও যেখানে অনৈতিক কাজ হয়ে থাকে। সেখানে থাইল্যান্ড এর নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশ-বিদেশের নাগরিকরাও জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে বহুদিনের।
যেহেতু ২০১৪ সালের ১৯ নভেম্বর জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ বিল-২০১৪ সংশোধিত আকারে পাস হয়। সেখানে বলা হয়েছে অনৈতিক কোনো কাজ করা যাবে না।
রত্না সম্পর্কে খুজ নিয়ে জানাযায়, কিছু দিন আগে তার অফিসে নামে গুলশান থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘ দিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের মনরঞ্জণ করার জন্য তিনি তার প্রতিষ্ঠানের রমনিদের ব্যবহার করতেন। এবং বলেন গুলশান থানার ওসি আমার ভাই এবং প্রভাব খাটিয়ে প্রসাশন ম্যানেজ করে দীর্ঘ দিন এই অবৈধ্য ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে।
অন্যদিকে তার এই ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে আরো ৫-৭ জনের নাম। তাদের মধ্যে সহযোগী এনায়েত সে বিভিন্ন পএিকার সম্পাদক পরিচয় দেন সে আসলে কোনো গণমাধ্যম কর্মী না সে মূলত একজন দালাল সম্পর্কে জানাযায় তিনি আড়ালে থেকে এই অবৈধ্য ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। তার ছত্রছায়ায় এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন এনায়েত এই আরেক সহযোগী মোস্তফা তিনি তাকে নারী সাপ্লাই দিয়ে সহযোগীতা করে আসছেন। আমাদের অনুসন্ধানে আরো কয়েকজন সহযোগীর নাম পাওয়া গেছে। তাদের খুব শীগ্রই মুখশ উন্মচন করা হবে।
এবং হোয়াটসঅ্যাপে এনায়েতের সাথে এই বিষয় নিয়ে তথ্য চাইতে গেলে সে রাজধানীর সুপ্রভাতের প্রতিনিধিকে অকাত্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং তার নামে একটি জিডিও করা হয়েছে যার নং ৩৩২ আরো বলেন ওসি ডিসি আমার পকেটের লোক আমার কিছু করতে পারবি না পুলিশের মাসোহারা দিয়েই ব্যবসা করি এবং এনায়েত হয় জানেন না একটা পত্রিকার সম্পাদক হতে হলে কি কি যোগ্যতা লাগে। তাহলে দালালি করা ভালো মনে হয়।

ভবনগুলোর নিরাপত্তারক্ষীরা জানান, সকালে প্রতিষ্ঠান খোলা হলেই সুন্দরী মেয়েরা ভিতরে প্রবেশ করে। আরা সারাদিন এইসব প্রতিষ্ঠানে পুরুষ আসা-যাওয়া করে। ভিতরে তাদের কি কাজ হয় তা আমরা জানি না।
অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকতার জানান, আমরা এই প্রতিষ্ঠান চালাই পুলিশের সহযোগিতায়। আমরা পুলিশ-সিটি কর্পোরেশনের কর্তাদের মাসিক টাকা দিয়ে ব্যবসা করি।
এই বিষয়ে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাথে মোঠফোন বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন ব্যস্ত পাওয়া যায়।
এই বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, তারা আমাদের কাছে থেকে ট্রেড লাইন্সেস নিয়েছে। তারা বৈধ্য লাইসেন্স নিয়ে অপরাধ মূলক কাজ করে আসছে। আমরা এই বিষয়ে জানতাম না। এখন জেনেছি আমরা কিছুদিনের মধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করবো। বিস্তারিত আসছে প্রিন্টে।



