গুলশানে অনলাইন  চক্রের মুলহোতা পাপিয়ার সহযোগী  সাথীর  দেহ,মধ,ও ইয়াবা ব্যবস্যার নতুন কৌশল।

নিজস্ব প্রতিবেদক :  বিশেষ সূত্রে জানা যায় – রাজধানীর  গুলশানে সবচেয়ে বড় দেহ ও মানব পাচারকারী ব্যবসায়ী
  তারা বর্তমানে গুলশান-বনানীতে স্পা সেন্টারে    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবৈধভাবে পেইজ খুলে কাস্টমার ও মেয়ে ঠিক করে বিভিন্ন হোটেল ও স্পা সেন্টারে সাপ্লাই দিয়ে হাতিয়ে নিচ্চে কোটি কোটি টাকা এবং  সংঘবদ্ধ চক্রের অন্যতম হোতা  আলোচিত  মাদক  মামলার  আসামি পাপিয়ার সহযোগী সাথী  তাদের একাধিক  ফেসবুক পেইজ ও রয়েছে।  দেহ ব্যবসা বন্ধ হওয়ার কারণে বিভিন্ন স্টার ক্যাটাগরির হোটেলে এবং বাসা বাড়িতে মেয়ে সাপ্লাই দিয়ে যাচ্ছেন এই  রাজন
অনলাইন প্লাটফর্ম ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় অ্যাড দিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলে বিভিন্ন হোটেল বাসা বাড়ি এবং গেস্ট হাউজ সহ ঢাকা শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করে যাচ্চেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।   আরো জানা যায় তিনি কোন কাস্টমারের সামনে আসেন না  কিন্তুু কাস্টমার আসলে    তার লোকজন ঠিকানা অনুযায়ী আর এম সেন্টারে তাকে পৌছিয়ে দেন বলে জানা যায়। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ গুলশানে স্পা নামক দেহ ও মাদক ব্যবসার সাথে  জড়িত । যেহেতু গুলশান-বনানীতে এই দেহ ব্যবসা বন্ধ করে দেন আইনের রক্ষাকারী বাহিনীরা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন এই রাজন সাদিয়া   ।স্থানীয় মমিন  সাহেব বলেন এইদিকে আইনের কর্মকতাদের একটু নজর দিলে আমাদের ছেলে মেয়েরা ভালো থাকতে পারবে বলে জানান এলাবাসী। এই বিষয়টি নিয়ে গুলশান  থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) সাহেবের সাথে  21 /11/২০২৪ বিকাল ৩.৩৪ মিনিটে  মোটোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি সরকারি নাম্বারে ফোন দিলে ও তিনি রিসিভ করেন না

Related Articles

Back to top button