আছিয়ার ধর্ষকের বিচারের দাবিতে উত্তরায় বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: শিশু আছিয়ার ধর্ষকের শাস্তির দাবি  ও দেশব্যাপী নারী নির্যাতণ, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী হেনস্তার প্রতিবাদে উত্তরায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

আজ রবিবার (৯ মার্চ) দুপুর ২ টার দিকে উত্তরা বিএনএস সেন্টার ও উত্তরা পূর্ব থানার পাশে শান্তি পূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এ সময় তারা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে উত্তরা।

এসময় তারা বলেন ,তুমি কে আমি কে আছিয়া আছিয়া, সারা বাংলায় খবর দে ধর্ষকদের কবর দে, আমার সোনার বাংলায় ধর্ষকদের ঠাঁই নাই,
একটা একটা ধর্ষক ধর-ধরে ধরে জবাই কর, দিয়েছি তো রক্ত আরো দিবো রক্ত, রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়।

এ সময় তারা বলেন,উত্তরায় কোন চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের ঠাই হবে না।
তারা আরো বলেন, ২৪ এর বাংলায়,ধর্ষকের ঠায় নাই, ধর্ষকের বিরুদ্ধে, আওয়াজ তুলোন একসাথে, একশান টু একশান
সারা বাংলায় খবর দে, ধর্ষকের কবর দে।
ফাঁসি চায় ফাঁসি চায়, ধর্ষকের ফাঁসি চায়।
we want justice,we want justice
আর কত প্রহসন,বন্ধ হোক ধর্ষণ।

জালোরে জালো,আগুন জালো ধর্ষকের বিরুদ্ধে, আগুন জালো একসাথে। দিয়েছি তো রক্ত,আরো দেব রক্ত। নতুন সোনার বাংলায়,ধর্ষকের ঠায় নাই।

শিক্ষার্থীরা উত্তরা বিএনএস সেন্টার থেকে মিছিল করে আজমপুর পূর্বথানা এলাকায় এসে জড়ো হয়। সেখানে তারা বক্তব্য শেষে মিছিল করতে করতে রাজলক্ষী হয়ে উত্তরা বিএনএস সেন্টারে গিয়ে আবারো জড়ো হয়ে সেখান থেকে ভেনার হাতে স্লোগান দিতে দিতে মুগ্ধ মঞ্চে গিয়ে মিছিল শেষ করেন।

জানা যায়, মাস খানেক আগেও উত্তরখান বিএইচখান স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়।

সারা দেশে ধর্ষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এসব ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক টুইটারে অনেকে অনেক ভাবে প্রতিবাদ করেন।
গতকয়েক দিন যাবত শিশু আছিয়াকে ধর্ষনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ঘটনাটি নিয়ে একজন ফেইসবুকে লিখেন, শুধু একটা কথাই অজানা রয়ে যায় ! কি কারনে আছিয়ার বড় বোনের, শশুর,ভাসুর এবং বোনের স্বামী তিনজন মিলে আছিয়া কে ধ-র্ষণ করলো!? আছিয়ার বোনের বিয়ে হয়েছে কবে? কেনো বড় বোন কে বাদ দিয়ে ধ-র্ষক আছিয়াকেই বেছে নিলো তাও আবার পিতা পুত্র মিলে!? একি আদৌও সম্ভব? আমি আর ভাবতে পারছি না। আল্লাহ্ দুনিয়া ধ্বং-স করতে চাইছো না! কবে করবা? এমন ঘটনা শোনাও তো লজ্জার!

ধর্ষণের এ সব ঘটনা বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নারী বলেন ধর্ষণের পর রাস্তায় বসে মোমবাতি না জ্বালিয়ে খোলা মাঠে প্রকাশ্যে একটা জীবন্ত ধর্ষকের গায়ে আগুন লাগিয়ে তাকে পুরানো দরকার। তবেই আমাদের মা বোনেরা ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
এ সময় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে

উপস্থিত ছিলেন, বৃহত্তর উত্তরার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরাসহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দগণ।

 

Related Articles

Back to top button