চট্টগ্রাম ও সিলেটে ভারী বর্ষণ, জলাবদ্ধতা এবং ভূমিধসের সতর্কতা


স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী জলাবদ্ধতা এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার সতর্কবার্তায় জানানো হয়, উল্লেখিত অঞ্চলে কোথাও কোথাও ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার (ভারী) এবং কোথাও ৮৮ মিলিমিটারের বেশি (অতি ভারী) বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাশাপাশি ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন মিয়ানমার উপকূলে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় টেকনাফে সর্বোচ্চ ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সিলেটে ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ২৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।




