সমালোচকদের কড়া জবাব রুমিন ফারহানার


সম্প্রতি একটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে দেবী প্রতিমার প্রতি ভক্তি প্রদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের মুখে পড়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সনাতন ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে তাঁর এই পদক্ষেপের পর নেটদুনিয়ায় বিতর্ক ছড়িয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি তালিকাভিত্তিক পোস্টের মাধ্যমে সমালোচকদের কড়া জবাব দেন।
নিজের ফেসবুক পোস্টে বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ ও অন্যায়ের উদাহরণ টেনে ব্যঙ্গাত্মক ও কটাক্ষের সুরে রুমিন ফারহানা লেখেন যে বলাৎকার, ঘুষ গ্রহণ, শিশু ধর্ষণ বা নির্যাতন, মানুষ খুন, নারীর ওপর সহিংসতা, কুৎসিত অপবাদ প্রদান কিংবা অন্যের সম্পদ লুটে ধর্ম নষ্ট হয় না। একইভাবে প্রতারণা, মিথ্যাচার, মুতা বিয়ের অজুহাত, মুনাফেকি, ধর্মব্যবসা, বোনের হক মারা, বাবা-মাকে বৃদ্ধ বয়সে ফেলে দেওয়া, ওজনে কম দেওয়া, খাদ্যে ভেজাল মেশানো, ব্যভিচার ও দুর্বলের ওপর অত্যাচার করলেও কারও ধর্ম বিপন্ন হয় না; বরং কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলেই সমাজে ধর্ম যাওয়ার ধুয়া তোলা হয়।
পোস্টের শেষ অংশে নিজের প্রতি ক্ষোভপ্রকাশকারীদের তৈরি কিছু ছবি ও মন্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি যোগ করেন যে দেবী দুর্গা মূলত দশভুজা, আটভুজা নন। এরপর মূর্খের সমাজ বলে মন্তব্য করে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার আশুগঞ্জের লালপুরের সূর্য কান্দি দাস পাড়ার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় তিনি দেবী প্রতিমার প্রতি ভক্তি প্রদর্শন করেন, যার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে নেটদুনিয়ায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।




