নির্দিষ্ট সময়ে বায়োমেট্রিক না দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এনআইডি আবেদন


অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা ভোটার নিবন্ধনের আবেদন করে দীর্ঘদিন বায়োমেট্রিক তথ্য না দেওয়া আবেদনকারীদের আবেদন এখন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ না দিলে ওই আবেদন আর বহাল থাকবে না।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের মাসিক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ইসি সচিবালয়ের সিস্টেম ম্যানেজারকে লিখিত নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্দেশনায় বলা হয়, নতুন ভোটার হওয়া বা কার্ড সংশোধনের আবেদন জানানোর পর মাঠে গিয়ে বা নির্ধারিত কেন্দ্রে সময়মতো বায়োমেট্রিক না দিলে একটি নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর আবেদনটি সার্ভার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে। এতে সার্ভারে অপ্রয়োজনীয় আবেদনের চাপ কমার পাশাপাশি ফাইল জমে থাকার সুযোগ বন্ধ হবে।
এদিকে, ২০১২ সাল থেকে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়গুলোতে জমিয়ে রাখা স্ক্যানকৃত ও আপলোড করা ভোটার নিবন্ধন ফরম (ফরম-২) এবং অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে ইসি।
তবে ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধিত ও সংরক্ষিত ভোটার নিবন্ধন ফরম পূর্বের মতোই গুরুত্বের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হবে। কেবল ২০১২ সালের পরবর্তী স্ক্যানকৃত কাগজগুলোই অপসারণ করা হবে।
তথ্য ও পরিবেশের সুরক্ষার স্বার্থে বাতিলকৃত নথিপত্র খোলা বাজারে বিক্রি না করে সরাসরি কাগজের মণ্ড তৈরিতে ব্যবহারের জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।




