চলতি বছরেই স্ক্রিপ নেটিং চালুর লক্ষ্য: ডিএসই চেয়ারম্যান


পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ও কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলতি ২০২৬ সালের মধ্যেই পুঁজিবাজারে বহুল প্রতীক্ষিত ‘স্ক্রিপ নেটিং’ বা ইন্ট্রাডে ট্রেডিং চালু করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর নিকুঞ্জ-২ এলাকায় ডিএসই টাওয়ারে ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক এক উন্মুক্ত আলোচনায় তিনি এ কথা জানান। ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এই সভার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান।
আলোচনা সভার মূল বিষয় ও ডিএসই চেয়ারম্যানের বক্তব্য:
-
স্ক্রিপ নেটিং বাস্তবায়ন: সম্প্রতি বিএসইসি এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমানে ডিএসইর ম্যাচিং ইঞ্জিন ও অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (ওএমএস) প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কাজ চলছে। প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জগুলো দূর করে চলতি বছরের মধ্যেই এটি চালুর আশা ব্যক্ত করা হয়।
-
ওয়েবসাইট আধুনিকায়ন: প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে চলতি কোয়ার্টারের মধ্যেই ডিএসইর নতুন বিশ্বমানের ওয়েবসাইট চালু করা হবে।
-
বাজার পর্যবেক্ষণ ও প্রযুক্তিগত একীভূতকরণ: বাজারে বড় ‘বাই অর্ডার’ দিলে যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়, তা দূর করতে সিডিবিএল ও স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে প্রযুক্তিগত একীভূতকরণের কাজ চলছে।
-
অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ পরিহার: পুঁজিবাজার অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রিত (ওভার-রেগুলেটেড) হওয়ায় এর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। তাই নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ডিরেগুলেশনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
-
সিসিবিএল কার্যকর করা: বাজারে নতুন পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) পুনর্গঠন করে কার্যকর করা হবে। এ লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বরে একটি বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।
ডিএসই চেয়ারম্যান জোর দিয়ে বলেন, বাজারের দৈনিক ওঠানামার চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও টেকসই পরিবর্তনের দিকেই এখন ব্রোকার, এক্সচেঞ্জ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সমন্বিতভাবে বেশি মনোযোগ দিতে হবে।




