ডিবি-পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি: ৪৫ মামলার আসামি তৈয়বসহ গ্রেপ্তার ৭


রাজধানীতে ডিবি, র্যাব ও পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি ও ছিনতাই করা এক সংঘবদ্ধ চক্রের মূল হোতা তৈয়ব আলী সর্দারসহ সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেপ্তার তৈয়বের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও দস্যুতাসহ ৪৫টি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার অন্য সদস্যরা হলেন পাভেল সর্দার, সাইফুর রহমান, রাব্বি আলম, ইমরান হোসেন ভূঁইয়া, নুরুল ইসলাম ও মো. ইসমাইল। রোববার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ওসমান গণি।
অভিযানে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি, ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাফ, ভুয়া নম্বর প্লেট, র্যাব ও ডিবি লেখা ভেস্ট, খেলনা পিস্তল, পকেট রাউটার, পুলিশের সরঞ্জাম এবং ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গত ১৩ আগস্ট রাতে কামরাঙ্গীরচরের দূরানী ব্রিজ এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে প্রথমে তৈয়বকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরখান, উত্তরা, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এবং ধানমন্ডিতে অভিযান চালিয়ে অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র ও গাড়ি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা যাত্রাবাড়ীতে ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং খিলক্ষেতে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের ১২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
ডিএমপি জানায়, আসামিরা একাধিকবার গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ট্র্যাকিং এড়াতে তারা মোবাইল সিমের পরিবর্তে পকেট রাউটার ব্যবহার করত। ডাকাত দলটিকে র্যাব-পুলিশের পোশাক ও ওয়াকিটকি সরবরাহের উৎস এবং তাদের পেছনের গডফাদারদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে। ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর ও রূপগঞ্জ থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে এবং অন্য মামলাগুলোতেও তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া চলছে।




