নিজস্ব প্রতিবেদক: গুলশানে কৌশল পরিবর্তন করে হোটেল গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টার দিয়ে জাকির ও লাকীর দেহ ও মাদক ব্যবস্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রে তাদের অবৈধ্য ব্যবসার কথা নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্বস্ত কয়েকটি সূত্রে থেকে জানাযায়, মানব পাচারকারী ও দেহ ব্যবসায়ী হিসেবে জাকির ও লাকী নাম গুলশানের সবার জানা। তারা এই ব্যবসায় সবার উপরের দিকে। তাদের বর্তমানে রাজধানী গুলশান ও বন্দর নগরি স্পা সেন্টারের ব্যবসা রয়েছে। তারা এই স্পা সেন্টারের আড়ালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পেইজ খুলে তাদের অবৈধ ব্যবসার কাস্টমার ও রমনিদের ঠিক করে বিভিন্ন হোটেল এবং স্পা সেন্টারে সাপ্লাই দিয়ে আসছে এবং তারা হাতিয়ে নিচ্চে কোটি কোটি টাকা। তাদের রয়েছে সংঘবদ্ধ একটি শক্তিশালি চক্র। এই চক্রের রয়েছে একাধিক ফেসবুক পেইজ। দেহ ব্যবসা বন্ধ হওয়ার কারণে বিভিন্ন স্টার ক্যাটাগরির হোটেলে এবং বাসা বাড়িতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও ইউনিভার্সিটির মেয়েদের সাপ্লাই দিয়ে যাচ্ছে এই জাকির ও লাকী।
অনলাইন প্লাটফর্ম ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় বিজ্ঞাপন দিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলে বিভিন্ন হোটেল বাসা বাড়িতে ও গেস্ট হাউজসহ ঢাকা, সহ সারাদেশের শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মেয়েদের দিয়ে দেহ ও মাদক ব্যবসা করে যাচ্চেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। তাদের মধ্যে রয়েছে গুলশান ১১৩ নং রোড়ের বাড়িটি।
সূত্র আরো জানা যায়, তারা কোন কাস্টমারের সামনে আসেন না কিন্তু কাস্টমার আসলে তার লোকজন ঠিকানা অনুযায়ী কাস্টমারদের পৌছিয়ে দেয়।
তাদের সম্পর্কে আরো জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ চট্টগ্রাম স্পা নামক সেন্টারে দেহ ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে। তাদের গুলশান ও আর এম সেন্টারে দেহ ও মাদক ব্যবসা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী বন্ধ করে দেয়। এখন তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে দেদারছে দেহ ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জাকির ও লাকী।
স্থানীয় এলাবাসীরা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যদি এইদিকে একটু নজর দেয় তাহলে আমাদের ছেলে মেয়েরা ভালো থাকতে পারবে।
এই বিষয়টি নিয়ে পুলিশেল উর্ধতন কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত আসছে চোখ......
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আরিফ হোসেন চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।
Copyright © 2026 Rajdhani Suprovat - রাজধানী সুপ্রভাত. All rights reserved.