
উচ্চ কোলেস্টেরল একটি নীরব স্বাস্থ্য সমস্যা, যার লক্ষণ বাইরে থেকে সহজে বোঝা যায় না। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বৃদ্ধি পেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়ে। বংশগত বা জিনগত কারণ ছাড়াও আমাদের দৈনিক কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে কোলেস্টেরল অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে।
কোলেস্টেরল বাড়ার ৫টি নীরব কারণ
অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত নাস্তা: সকালে মাখন মাখানো টোস্ট, পরোটা, ভাজা পোড়া বা প্রক্রিয়াজাত মাংস খেলে শরীরে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বাড়ে, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে।
প্রক্রিয়াজাত ও মুখরোচক খাবার: বাদাম বা বীজের মতো স্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে নিয়মিত কেক, পেস্ট্রি, বিস্কুট ও প্যাকেটজাত নোনতা খাবার খেলে খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও অতিরিক্ত ক্যালোরি যোগ হয়।
দীর্ঘ সময় বসে থাকা: সারাদিন একটানা ডেস্কে, গাড়িতে বা সোফায় বসে থাকলে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) কমে যায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যায়।
মিষ্টি ও চিনিযুক্ত পানীয়: নিয়মিত সফট ড্রিঙ্কস, এনার্জি ড্রিঙ্কস, প্যাকেটজাত জুস বা অতিরিক্ত মিষ্টি চা-কফি খেলে ওজন বাড়ে এবং হৃদযন্ত্রের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে।
ধূমপান ও তামাক সেবন: ধূমপান রক্তনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি শরীরের ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) মাত্রা কমিয়ে দেয়, যা অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে তোলে।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভ্যাসে ন্যূনতম প্রক্রিয়াজাত খাবার, শাকসবজি, ফল ও ফাইবারযুক্ত খাবার অন্তর্ভুক্ত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম (যেমন—দ্রুত হাঁটা, সাঁতার বা সাইকেল চালানো) করা এবং ধূমপানের অভ্যাস সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ করা উচিত।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আরিফ হোসেন চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।
Copyright © 2026 Rajdhani Suprovat - রাজধানী সুপ্রভাত. All rights reserved.