
ক্যারিয়ারের শুরুর মাস কয়েক আগেও গোলুমোলু সারার ওজন ছিল ৯৬ কেজি। হ্যাঁ, খাওয়াদাওয়ায় চরম অনিয়ম, তার উপর পলিসিস্টিক ওভারির সমস্যা—সব মিলিয়ে সারা আলি খান ওজন অনেক বেশি ছিল। ছোট থেকেই অবশ্য গোলগালই ছিলেন তিনি। মোটা, মুটকি, হাতি—নানান কটাক্ষ একটা সময় শুনেছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দৃঢ় সংকল্প, সঠিক ডায়েট এবং কার্ডিও এবং ওয়েট ট্রেনিং— অনুশীলন, সংযম নিয়মানুবর্তিতা মেনেই ৪৫ কেজি ওজন হ্রাস করতে সক্ষম হন অভিনেত্রী।
একটি পুরানো সাক্ষাত্কারে সারা জানান, সারা তার ওজন হ্রাসের যাত্রা, কেন ওজন ঝরাতে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তিনি, তার লড়াই এবং কীভাবে তিনি সেই চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠেছিলেন সে সম্পর্কে কথা বলেছেন।
সারা সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমার ওজন শুধু বেশি ছিল বললে ভুল হবে; আমি ওজন মাপার স্কেলটাই ভেঙেছি। অনেক সময় আপনার জীবন নিম্নমুখী হয়ে যায়। সুতরাং, যখন আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠেন এবং দেখেন আপনার ওজন ৮৫ কেজি এবং কোনও জামাই আপনার শরীরে ফিট করে না, আপনার মনে হয় ৮৫ আর ৯৬-এর মধ্যে বিশেষ ফারাক নেই - এটাই আমার সাথে ঘটতে শুরু করেছিল।’
অনুপ্রেরণা সম্পর্কে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমি বিশাল মোটা ছিলাম। এটা কোনও পর্যায়েই স্বাস্থ্যকর ছিল না। এটা আমাকে হরমোনগতভাবে প্রভাবিত করছিল, যা এখনও ঘটে। যখনই আমি অতিরিক্ত খেয়ে ফেলি বা ৬০ কেজি ওজন হয়, আমি আর স্বাস্থ্যকর থাকি না।’
‘আপনি কী খাচ্ছেন তার উপর আপনার অবশ্যই নজর রাখা উচিত কারণ এটি আপনার শরীরিক গঠনের পাশাপাশি আপনার হরমোনের ভারসাম্যকেও প্রভাবিত করে এবং এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ'। অবিসিটি বা স্থূলতা আপনার মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে।’
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আরিফ হোসেন চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।
Copyright © 2026 Rajdhani Suprovat - রাজধানী সুপ্রভাত. All rights reserved.