
রাজধানীতে নির্মাণাধীন এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পে ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
শুরুতে প্রকল্প দুটির মোট ব্যয় ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ধরা হলেও সংশোধিত প্রস্তাবে তা ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী:
এমআরটি লাইন-১ (কমলাপুর-বিমানবন্দর ও নর্দ্দা-পূর্বাচল): প্রাথমিক ব্যয় ৫২,৫৬১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,২০,৭৯৪ কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এমআরটি লাইন-৫ উত্তর (সাভার-গাবতলী-মিরপুর-গুলশান-ভাটারা): মূল ব্যয় ৪১,২৩৯ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৯৩,১৯১ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।
ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানায়, প্রাথমিক প্রাক্কলনের সময় বিস্তারিত নকশা না থাকা, নকশা পরিবর্তন, বিশ্বব্যাপী নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন (৮৪.৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১২২ টাকা), ভূমি অধিগ্রহণ ও বিলম্বসহ নানা কারিগরি কারণে ব্যয় বেড়েছে।
এছাড়া প্রকল্পে অর্থায়নকারী সংস্থা জাইকার ঋণের শর্ত এবং দরপত্রে জাপানি কোম্পানিগুলোর মধ্যে সীমিত প্রতিযোগিতাকেও ব্যয় বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আরিফ হোসেন চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।
Copyright © 2026 Rajdhani Suprovat - রাজধানী সুপ্রভাত. All rights reserved.