
ব্যস্ত জীবনযাপনে অল্প সময়ের জন্য পরিকল্পিত ব্যায়াম বা ‘মাইক্রো-ওয়ার্কআউট’ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সঠিক তীব্রতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের এই ব্যায়ামগুলোও দারুণ স্বাস্থ্যসুফল দিতে পারে।
মাইক্রো-ওয়ার্কআউট কী?
দীর্ঘ ৪৫-৬০ মিনিটের সেশনের বদলে সারাদিনে ৫-১০ মিনিটের ছোট ছোট অংশে ব্যায়ামকে ভাগ করে নেওয়াই হলো মাইক্রো-ওয়ার্কআউট। যেমন: ১০ মিনিটের বডিওয়েট এক্সারসাইজ, দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে ওঠা, খাবারের পর হাঁটা বা সংক্ষিপ্ত HIIT (হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং)।
ফিটনেসে এর প্রভাব:
গবেষণা অনুযায়ী, ১০ মিনিটের সঠিক ও চ্যালেঞ্জিং ব্যায়াম হৃৎপিণ্ড, পেশী ও মেটাবলিজমকে সক্রিয় করে কার্ডিওভাসকুলার ফিটনেস, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও পেশীর শক্তি বাড়ায়। তবে এতে অনুশীলনের তীব্রতা বা প্রচেষ্টার মাত্রা ঠিক থাকা জরুরি।
কখন এটি জিমের বিকল্প হতে পারে?
সাধারণ ফিটনেস রক্ষা, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, স্ট্যামিনা বাড়ানো বা প্রতিদিনের অভ্যাসে ব্যায়াম যুক্ত করার জন্য মাইক্রো-ওয়ার্কআউট যথেষ্ট। তবে পেশী বৃদ্ধি (বডিবিল্ডিং), উন্নত শক্তি প্রশিক্ষণ (Advanced Strength Training) বা অ্যাথলেটিক পারফরম্যান্সের জন্য দীর্ঘ জিম সেশনের বিকল্প এটি নয়।
কার্যকর ১০ মিনিটের রুটিন:
২ মিনিট: ডাইনামিক ওয়ার্ম-আপ
৬ মিনিট: ফুল বডি কম্পাউন্ড সার্কিট (স্কোয়াট, পুশ-আপ, লাঞ্জ, প্ল্যাঙ্ক ইত্যাদি)
২ মিনিট: কোর বা মোবিলিটি স্ট্রেন্থেনিং
সংক্ষেপে, জিমে দীর্ঘ সময় দেওয়ার চেয়ে একদম ব্যায়াম না করার চাইতে ১০ মিনিটের ধারাবাহিক মাইক্রো-ওয়ার্কআউট একটি বাস্তবসম্মত ও অত্যন্ত কার্যকর সমাধান।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আরিফ হোসেন চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।
Copyright © 2026 Rajdhani Suprovat - রাজধানী সুপ্রভাত. All rights reserved.