নিজস্ব প্রতিবেদক :চোখ ওঠার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। অ্যালার্জি, ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে চোখ ওঠা বা কনজেক্টিভাইটিস হতে পারে। এক বা উভয় চোখে হতে পারে কনজেক্টিভাইটিস। এক্ষেত্রে চোখ লাল হয়ে যায়, ফুলে যায়, জ্বালাপোড়া করে ও চুলকানি হয়।
কনজেক্টিভাইটিস থেকে নিরাপদ থাকতে কী করবেন?
ভুলেও চোখে কন্টাক্ট লেন্স পরবেন না
চোখ ওঠার সমস্যা না সারা পর্যন্ত ভুলেও লেন্স পরবেন না চোখে। আর অবশ্যই লেন্সগুলো পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। না হলে তাতে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস থাকতে পারে ও আবারো চোখের সমস্যায় ভুগতে হতে পারে।
চোখে হাত লাগাবেন না
চোখ ওঠার সমস্যা হলে বারবার চোখ ঘষা বা স্পর্শ এড়িয়ে চলুন। এর থেকে রোগ আরও বাড়তে পারে এমনকি এক চোখ থেকে অন্য চোখেও ছড়াতে পারে। চোখের চারপাশ থেকে যে কোনো স্রাব পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে একটি ভেজা ওয়াশক্লথ বা তুলা ব্যবহার করুন।
বারবার হাত ধুতে হবে
আপনার যদি কনজেক্টিভাইটিস থাকে, তাহলে সাবান-গরম পানি দিয়ে কমপক্ষে ২ সেকেন্ডের জন্য ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন। এছাড়া প্রতিবার সংক্রামিত চোখ পরিষ্কার করার আগে ও পরে বা চোখের ড্রপ বা মলম প্রয়োগ করার আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
চারপাশ পরিষ্কার করুন
আপনার মোবাইল ফোন, রিমোট ও দৈনন্দিন জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখুন। গরম পানি ঘন ঘন তোয়ালে ও বালিশের কভার পরিষ্কার রাখুন। আক্রান্তের তোয়ালে ও বালিশ যেন অন্য কেউ ব্যবহার না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
কম্প্রেস ব্যবহার করুন
চোখের ফোলাভাব কমাতে একটি পরিষ্কার কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে আলতো করে বন্ধ চোখের উপরে কিছুক্ষণ রাখুন। খুব জোরে চোখে চাপ দেবেন না। চাইলে গরম পানিতেও কাপড় ভিজিয়ে ভাপ নিতে পারেন।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
ভারতের একজন সার্টিফাইড নিউট্রিশনিস্ট ডা. রোহিনী প্যাটেল (এমবিবিএস) বলেছেন, ‘সঠিক হাইড্রেশন ও স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এটি আপনার চোখকে আর্দ্র রাখতে ও কনজেক্টিভাইটিসের সঙ্গে যুক্ত শুষ্কতা ও জ্বালা কমাতে সাহায্য করবে।’
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আরিফ হোসেন চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,
আইন উপদেষ্টা: এ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।
Copyright © 2026 Rajdhani Suprovat - রাজধানী সুপ্রভাত. All rights reserved.